অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করুন ২ মিনিটেই
আপনার জন্ম সনদে কি কোন তথ্য ভুল রয়েছে? তাহলে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন (jonmo nibondhon songsodhon) করে নিজে নিজেই সংশোধন করিয়ে নিতে পারবেন।
এই আর্টিকেলে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন অনলাইনে সাবমিট করার সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি দেখানো হবে, এবং কি কি ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে সে সম্পর্কেও জানতে পারবেন।
সাধারনত বিভিন্ন কারনে আমাদের জন্ম সনদের তথ্য ভূল লিপিবদ্ধ থাকতে পারে। এর ফলে পরবর্তীতে আমাদের NID কার্ড করতে, e-Passport তৈরি করতে কিংবা বোর্ড পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করলে সমস্যায় পড়তে হয়।
কারো কারো সনদের বাংলা তথ্য অনলাইনে থাকলেও ইংরেজি তথ্য আপলোড করা থাকেনা। এক্ষেত্রেও অনলাইনে সংশোধনের আবেদন করার মাধ্যমেই ইংরেজি তথ্য যুক্ত করতে হয়।
তাই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন ফরম পূরন ও সাবমিট করার নিয়ম এবং কি কি ও কত টাকা লাগবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ লেখাটি এখনই পড়ে নিন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন ২০২৪
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করতে, bdris.gov.bd/br/correction – লিংকে গিয়ে, জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ লিখে সার্চ করুন। তারপর আপনার নিবন্ধনটি সিলেক্ট করে, নতুন পেজে সংশোধনের বিষয়> সংশোধিত তথ্য> সংশোধনের কারন লিখুন। তারপর ঠিকানার তথ্য দিয়ে ডকুমেন্টস আপলোড করে সংশোধন আবেদন সাবমিট করে দিন।
এভাবে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন ফরম পূরন করে সাবমিট করার পর, আবেদন ফরমের কপি ডাউনলোড/ প্রিন্ট করে এবং তথ্য প্রমানের কাগজপত্র বা ডকুমেন্টস যুক্ত করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিতে হবে।
আবেদন জমার দেওয়ার সময় অনলাইনে epay.bdris.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অথবা সরাসরি নিবন্ধকের কার্যালয়ে গিয়ে ফি পরিশোধ করতে হবে। তারপর আবেদনটি জমা দিয়ে আসলে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তা যাচাই-বাছাই করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে অনুমোদন দেওয়া হবে, এবং আপনার কাঙ্খিত তথ্য সংশোধন করে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করুন সহজেই।
জন্ম সনদ সংশোধন আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
জন্ম সনদ সংশোধনের ক্ষেত্রে, একেকটি তথ্য পরিবর্তনের জন্য একেক রকম ডকুমেন্টস জমা দিতে হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাকে কোন তথ্যের জন্য কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে, তার তালিকা নিচে দেওয়া হলোঃ
সংশোধনের বিষয় | প্রয়োজনীয় কাগজপত্র |
নিজের নাম (নামের আংশিক, বানান ইত্যাদি) সংশোধন | (১) বয়স কম হলে টিকা কার্ডের ফটোকপি। (২) প্রাপ্তবয়স্ক হলে, NID Card/ Passport/ Certificate. |
পিতার/ মাতার নাম ((নামের আংশিক, বানান ইত্যাদি) সংশোধন | (১) নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ। (২) পিতার/ মাতার NID কার্ড। (৩) পিতার/ মাতার অনলাইন জন্ম সনদের কপি। |
স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন | (১) চেয়ারম্যানের প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ। (২) স্থায়ী ঠিকানার কর পরিশোধের রিসিট। |
বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন | (১) বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের কপি। |
উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া কাগজগুলো আপলোড করলেই আপনার আবেদনটি এপ্রুভ হবে বলে আশা করা যায়।
আরও পড়ুনঃ
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে হলেঃ
উপরোক্ত ধাপগুলো খুবই সংক্ষিপ্ত ভাবে লেখা হয়েছে। এভাবে অনেকেই নাও বুঝতে পারেন। তাই আপনাদের সুবিধার জন্য এই ধাপগুলো বিস্তারিতভাবে ছবি/ স্ক্রিনশট সহ তুলে ধরা হলোঃ
ধাপ ১: Birth Certificate Correction সাইটে যান
জন্ম নিবন্ধনের যাবতীয় অনলাইন ভিত্তিক সেবা গুলো bdris gov bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেওয়া হয়। তাই কোন তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রেও এই সাইটের সংশোধন আবেদন ফরমের পেজে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
এর জন্য আপনারা সরাসরি এই লিংকে ক্লিক করে মূল আবেদনের পেজে যেতে পারেনঃ
উপরের লিংকে ক্লিক করার পর, আপনার সামনে আবেদনের প্রাথমিক ইন্টারফেস চলে আসবে।
ধাপ ২: জন্ম তথ্য অনুসন্ধান ও সিলেক্ট
আপনি যেই জন্ম সনদের তথ্য সংশোধন করতে চাচ্ছেন, এখানে প্রথমে সেই সনদটি অনলাইনে আছে কিনা চেক করে নিতে হবে। এর জন্য এখানে আপনাকে আপনার সনদের ১৭ সংখ্যার নিবন্ধন কোড ও সঠিক জন্ম তারিখ লিখতে হবে। তারপর ক্যাপচার কোডটি পূরণ করে ‘অনুসন্ধান’ লেখাতে ক্লিক করবেন।
আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোন সনদ অনলাইনে সাবমিট করা থাকলে, এখানে সেই সনদের কিছু তথ্য দেখানো হবে। যেমন- নিবন্ধনকারী ব্যক্তির নাম, জন্ম তারিখ ও পিতা-মাতার নাম। এগুলো আপনার সনদের সাথে মিল থাকলে, ডান পাশে থাকা ‘নির্বাচন করুন’ লেখাতে ক্লিক করে দিবেন।
ধাপ ৩: চাহিত সংশোধিত তথ্য পূরণ
এবার আপনাকে একটি নতুন পেজে নিয়ে যাবে। এখানে আপনাকে প্রতিটি তথ্য পরিবর্তন (Jonmo Nibondhon Songsodhon) এর জন্য ৩ টি খালিঘর পূরন করতে হবে। মূলত এখানে, তথ্য সংশোধনের বিষয়, নতুন সংশোধিত তথ্য এবং কি কারনে তথ্য পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন তা লিখতে হবে। এগুলো সম্পর্কে কিছুটা বিস্তারিত জানা যাক-
১ম ঘরঃ এখানে জন্ম সনদের বিভিন্ন তথ্যের বিষয় লেখা থাকবে। আপনি যেই তথ্যটি পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন, এখান থেকে সেই তথ্যের বিষয়টি সিলেক্ট করে দিতে হবে।
২য় ঘরঃ এখানে আপনি আগের তথ্যটি পরিবর্তন করে নতুন যেই তথ্যটি রাখতে চাচ্ছেন, সেটি লিখে দিবেন। যেমন- আগের তথ্যে নামে বানান ভুল থাকলে, এখানে সংশোধনের জন্য নতুন ও সঠিক নামের বানানটি লিখে দিবেন। আবার ইংরেজি তথ্য যুক্ত করতে চাইলে, এখানে নামের ইংরেজি বানানটি লিখে দিবেন।
৩য় ঘরঃ এই ঘরে তথ্য সংশোধনের কারন উল্লেখ করতে হয়। এখানে আপনি কি কারনে সংশোধন করছেন, তা সিলেক্ট করে দিবেন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে, “তথ্য ভুল লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল” এই অপশনটিই সিলেক্ট করা হয়।
এভাবে উপরে উল্লেখিত ৩টি ঘর পূরন করতে হবে প্রতিটি তথ্য সংশোধন করার জন্য। তারপর একাধিক তথ্য সংশোধন করতে চাইলে, “+আরও তথ্য সংযোজন করুন” লেখাতে ক্লিক করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন বন্ধ করতে কড়া নির্দেশনা।
ধাপ ৪: সকল ঠিকানার তথ্য পূরণ
সংশোধিত তথ্য পূরনের পর, আপনাকে বর্তমান ঠিকানা> স্থায়ী ঠিকানা> জন্মস্থানের ঠিকানা পূরন করতে হবে। এখানে ঠিকানার যাবতীয় তথ্যগুলো একে একে সিলেক্ট করে দিতে হবে।
তবে এখানে সবসময় ঠিকানারা তথ্য পূরন করতে হবেনা। শুধুমাত্র ঠিকানার তথ্য সংশোধন করতে চাইলে, কিংবা ইংরেজি তথ্য যুক্ত করতে চাইলেই উল্লেখিত ঠিকানার তথ্যগুলো পূরন করতে হবে।
এছাড়াও আপনি যদি নির্দিষ্ট কোন ঠিকানার তথ্য (যেমন- বর্তমান ঠিকানা/ স্থায়ী ঠিকানা/ জন্মস্থানের ঠিকানা) পরিবর্তন করতে চাইলে, সেই ঠিকানার তথ্যের পাশের খালিঘরে ক্লিক করে দিবেন। তারপর সেই ঠিকানার তথ্য সঠিকভাবে পূরন করে দিবেন। আর যেগুলো পরিবর্তন করতে চান না, সেগুলো পূরন করার প্রয়োজন নেই।
ধাপ ৫: কাগজপত্র/ ডকুমেন্টস আপলোড করুন
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন অনলাইন আবেদন করার সময়, সংশোধিত তথ্যের স্বপক্ষে প্রমাণপত্র হিসেবে কিছু কাগজপত্রের স্ক্যান কপি বা ছবি আপলোড করতে হয়।
এক্ষেত্রে কোন তথ্য সংশোধন করতে কি কি লাগবে, তা উপরে উল্লেখিত আছে। আপনি সেই কাগজপত্র গুলোর ছবি আগে থেকেই আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে নিয়ে রাখবেন। এবং প্রতিটি ডকুমেন্টস এর ফাইল সাইজ হবে সর্বোচ্চ 2MB বা তার চেয়ে কম।
ডকুমেন্টস আপলোড করার জন্য, প্রথমে এখানে থাকা ‘+সংযোজন’ লেখা অপশনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার ডিভাইস থেকে সেই ফাইলটি সিলেক্ট করে দিবেন। ফাইলটি এখানে চলে আসলে, ‘File Type’ সিলেক্ট করে, ডান পাশের ‘Start’ লেখাতে ক্লিক করবেন। ব্যাস, আপনার দেওয়া ডকুমেন্ট টি আপলোড হয়ে যাবে।
ধাপ ৬: আবেদনকারীর তথ্য পূরন ও আবেদন সাবমিট
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন ফরম পূরন করার এই ধাপে, আবেদনকারীর তথ্য পূরন করতে হবে। এখানে যিনি তথ্যটি সংশোধনের জন্য আবেদন করছে, তার সাথে সনদধারী ব্যক্তির সম্পর্ক সিলেক্ট করতে হবে।
তারপর আবেদনকারীর নাম লিখবেন এবং একটি সচল মোবাইল নাম্বার দিবেন। তারপর ‘ওটিপি পাঠান’ লেখাতে ক্লিক করবেন। এভাবে আপনার দেওয়া মোবাইল নাম্বারে ৬ সংখ্যার একটি OTP কোড আসবে। সেই কোডটি নিচের ঘরে লিখে দিবেন এবং ডানপাশের “সাবমিট” লেখাতে ক্লিক করে আবেদন সাবমিট করে দিবেন।
ব্যাস, আপনার Birth Certificate Correction আবেদনটি অনলাইনে সাবমিট হয়ে গেছে। এবার স্থানীয় নিবন্ধকের কার্যালয়ে আরও কিছু কাজ করতে হবে।
ধাপ ৭: জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন পত্র প্রিন্ট
অনলাইনে জন্ম সনদের তথ্য সংশোধন আবেদন ফরম সাবমিট করার পর, আপনাকে উক্ত আবেদনের অ্যাপ্লিকেশন আইডি ও রেফারেন্স নম্বরসহ একটি পেজ দেখানো হবে। এই পেজের তথ্যগুলো সংরক্ষন করে রাখবেন।
এছাড়াও আপনি অনলাইন থেকে এই আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি ডাউনলোড করে নিবেন। আর যদি আপনার কাছে প্রিন্টার থাকে, তাহলে সরাসরি আবেদন ফরমের কপিটি প্রিন্ট করে নিবেন।
পরবর্তীতে আপনাকে এই আবেদন ফরমের প্রিন্টেড কপিটি এবং অন্যান্য কাগজপত্র একত্র করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে। তাহলেই আবেদন অনুমোদন করে আপনার সনদের তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারবেন।
জন্ম সনদ সংশোধন করতে কত দিন লাগে?
জন্ম তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন (Jonmo Nibondhon Songsodhon) করার পর তথ্য সংশোধিত হতে আবেদনের বিষয়ের ধরনের উপর নির্ভর করে ৭-১৫ দিন সময় লাগতে পারে। আপনি চাইলে আবেদন করার ৭ কার্যদিবসে পর অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন অবস্থা চেক করে নিতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ জন্ম নিবন্ধন আবেদন অবস্থা যাচাই | Birth Certificate Application Status.
তারপর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে আপনার সনদের সংশোধিত কপিটি সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। কিন্তু ১৫ কার্যদিবস পেরিয়ে যাওয়ার পরও দেখতে পান আপনার সনদটি সংশোধন হয়নি, তাহলে সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করতে পারেন।
শেষকথা
উপরোক্ত পদ্ধতিতে আপনারা ঘরে বসেই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করতে পারবেন। আশাকরি, সম্পূর্ন আলোচনাটি বুঝতে পেরেছেন। কোন বিষয়ে না বুঝে থাকলে কমেন্ট করে বা আমাদের WhatsApp Group এ যোগাযোগ করে আপনার প্রশ্নটি জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।
FAQ’s
অনলাইনে জন্ম সনদের তথ্য সংশোধনের আবেদন করার পর, আবেদনটি অনুমোদিত হয়ে তথ্য সংশোধিত হতে ৭-১৫ কার্যদিবস সময় লাগে।
জন্ম নিবন্ধনের নামের বানান বা আংশিক নাম সংশোধন করতে পারবেন। এর জন্য https://bdris.gov.bd/br/correction – লিংকে গিয়ে, আপনার জন্ম নিবন্ধন অনুসন্ধান করে, সে নিবন্ধনের নামের তথ্য সংশোধন করে নিতে পারবেন।
হ্যাঁ। পিতা-মাতার নামের আংশিক বা নামের বানান সংশোধন করতে পারবেন। এর জন্য Bdris.gov.bd ওয়েবসাইটের জন্ম সনদের তথ্য সংশোধনের আবেদন পেইজে গিয়ে, আবেদনের স্বপক্ষে ডকুমেন্ট আপলোড করে পিতা-মাতার নাম সংশোধনের আবেদন করতে হবে।
অনলাইনে সংশোধনের তথ্য পূরন করে আবেদন সাবমিট করার পর, জন্ম সনদের সংশোধন আবেদন ফরম পাবেন। তখন সেই আবেদন ফরমটি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।
অনলাইনে জন্ম সনদের তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করার ওয়েবসাইট লিংক হলো- https://bdris.gov.bd/br/correction।
জন্ম সনদের স্থায়ী ঠিকানার তথ্য সংশোধন করতে চাইলে https://bdris.gov.bd/br/correction -এই লিংকে গিয়ে আপনার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সার্চ করবেন। তারপর নির্বাচন করে, নতুন পেজে গিয়ে জন্মস্থানের ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানার তথ্যগুলো পূরণ করবেন। সর্বশেষে, আবেদনের স্বপক্ষে প্রমানপত্র আপলোড করে আবেদনটি সাবমিট করে দিবেন।
সাধারনত, স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন পত্র, হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ ও NID Card এর কপি জমা দিতে হয়। আর বর্তমান ঠিকানার সংশোধনের ক্ষেত্রে, বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের কপি জমা দিলেই হবে। আর স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন করার ফি ৫০ টাকা জমা দিতে হবে।